
বিজ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বগুড়া শহরের টিটু মিলনায়তনে আয়োজিত জুলাই‑২৪ গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি স্মরণসভা ও আলোচনা অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন। তিনি allí ইরান যুদ্ধের প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দার আশঙ্কা এবং জ্বালানি সংকটের উভয় দিক থেকে বাংলাদেশে বড় অর্থনৈতিক বিপদের ঝুঁকি বোঝালেন। ministre‑টুকুর মতে, এই পরিস্থিতি থেকে উबरার জন্য দেশে আইনশৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার দরকার আছে, যা অর্থনৈতিক চাক리를 সচল রাখতে সহায়ক হবে।
তিনি বললেন যে জুলাই‑২৪ গণঅভ্যুত্থান দীর্ঘ ১৫‑১৭ বছরের শাসনের পর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একটি পথ তৈরি করেছে, যেখানে ছাত্র‑জনতা ও রাজনৈতিক নেতাদের সম্মিলিত আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীদের নিজ‑নিজের পেশাগত কাজে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। এছাড়াও, কিছু ছাত্রনেতার নতুন সরকারে যোগদান ও নতুন রাজনৈতিক দলের গঠনকেmovement‑এর মূল লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন sollev করে বলেছেন। বগুড়া‑৬ সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম, জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান, বগুড়া জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির ও আরডিএর ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক মতো বিভিন্ন শাসন‑প্রশাসন ও সামাজিক সংস্থার প্রতিনিধিও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিলেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এবং বিশেষ অতিথি জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী ছিলেন। বগুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান, বগুড়ার ভিρপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. ফারজানুল হক, জুলাই‑২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটির চেয়ারম্যান গোলাম রহমান, আমরা জুলাই যোদ্ধা সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আমিনুল ইসলাম ইমন, সাধারণ সম্পাদক রবিউল আওয়াল তুহিন ও বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান মতো বিভিন্ন শাখার প্রতिनিধিও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিভাগের জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারসদস্যরা অংশ নিয়েছিলেন।
মন্ত্রী টুকু ने সড়ক বরোধ ও ভাঙ্গচুর মতো কাজ থেকে বাগিশться করার আহ্বান জানিয়েছেন এবং সম্মিলিতভাবে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা ও অর্থনৈতিক কার্যকলাপ সচল রাখার দরকার জোর দিয়েছেন।
